9:23 am, Saturday, 1 August 2026

জোড়াতালি দিয়ে আর কতকাল টিকবে মুহরী ব্রিজটি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৬:৩৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • 18 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরশুরাম থেকে সুবার বাজারের দূরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। সীমান্তবর্তী মির্জানগরের ১৫ হাজার মানুষের উপজেলায় আসার প্রধান সড়কে একমাত্র অন্তরায় ছিল মুহুরী নদী।

১৯৯০ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর এ অঞ্চলের মানুষের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের জন্য মুহুরী নদীর উপর একটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণ করেন। এরপর থেকেই এ জনপদে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে। দীর্ঘ বছর ব্যবহারের ফলে ব্রিজের প্লেটগুলোর নড়বড়ে অবস্থা। গত ১৫ বছর ধরে সংস্কার করেই ব্রিজটি দিয়ে যান চলাচল করছে।

কিছুদিন আগে এই ব্রিজটি মেরামত করা হলেও,  মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও ভয়ঙ্কর অবস্থায় চলে গেছে।
ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ব্রিজের লোহার পাত ভেঙে উঠে গেছে এবং সেটি চিহ্নিত করতে কেবল বস্তা, লাঠি আর কাপড়ের টুকরা দিয়ে সামান্য সতর্কতা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সপ্তাহখানেক ধরে এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা পড়ে আছে, কিন্তু দেখার যেন কেউ নেই।
প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের চলাচল হয় এই ব্রিজ দিয়ে। ছোট বড় যানবাহন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ সবাই এই পথেই যাতায়াত করেন।

এভাবে ব্রিজের লোহার পাত খোলা অবস্থায় থাকলে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যা হতে পারে প্রাণঘাতী।

Spread the love
Tag :

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শাহাদাত হোসাইন

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

জোড়াতালি দিয়ে আর কতকাল টিকবে মুহরী ব্রিজটি

Update Time : ১১:৫৬:৩৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরশুরাম থেকে সুবার বাজারের দূরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। সীমান্তবর্তী মির্জানগরের ১৫ হাজার মানুষের উপজেলায় আসার প্রধান সড়কে একমাত্র অন্তরায় ছিল মুহুরী নদী।

১৯৯০ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর এ অঞ্চলের মানুষের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের জন্য মুহুরী নদীর উপর একটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণ করেন। এরপর থেকেই এ জনপদে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে। দীর্ঘ বছর ব্যবহারের ফলে ব্রিজের প্লেটগুলোর নড়বড়ে অবস্থা। গত ১৫ বছর ধরে সংস্কার করেই ব্রিজটি দিয়ে যান চলাচল করছে।

কিছুদিন আগে এই ব্রিজটি মেরামত করা হলেও,  মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও ভয়ঙ্কর অবস্থায় চলে গেছে।
ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ব্রিজের লোহার পাত ভেঙে উঠে গেছে এবং সেটি চিহ্নিত করতে কেবল বস্তা, লাঠি আর কাপড়ের টুকরা দিয়ে সামান্য সতর্কতা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সপ্তাহখানেক ধরে এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা পড়ে আছে, কিন্তু দেখার যেন কেউ নেই।
প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের চলাচল হয় এই ব্রিজ দিয়ে। ছোট বড় যানবাহন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ সবাই এই পথেই যাতায়াত করেন।

এভাবে ব্রিজের লোহার পাত খোলা অবস্থায় থাকলে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যা হতে পারে প্রাণঘাতী।

Spread the love